, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কক্সবাজারে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও কাটেনি দুর্ভোগ: প্রাণহানি ৩২, আড়াই লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি নিজেকে জাহির করতে গিয়ে অন্যের সমালোচনা: আমাদের শিক্ষা কী? বন্যা পরিস্থিতি: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিলসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ দফা বিশেষ নির্দেশনা চকরিয়ায় রথযাত্রা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা: শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর আয়োজন নিশ্চিতে পুলিশের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস পর্যটকদের জন্য সৌদি আরবের বড় সুখবর: চালু হলো নতুন ‘প্যাকেজ ভিসা’ মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে: চকরিয়ায় ভয়াবহ বন্যা, হাজারো পরিবার পানিবন্দি মানিকগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ করে তালা কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ, যানজটে ভোগান্তি ইআরএল-এর তেল শোধন সক্ষমতা বাড়াতে ১০০ কোটি ডলারের ‘কঠিন’ ঋণ নিচ্ছে সরকার স্থানীয়রা বঞ্চিত! মাতারবাড়ি বন্দর সড়কে বহিরাগতদের চাকরির অভিযোগে ক্ষোভ, এনআইডি তদন্তের দাবি
স্মার্টওয়াচ যখন লাইফ সেভার

হৃদরোগের ঝুঁকি ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি

এক দশক আগেও ঘড়ি পরা হতো কেবল সময় দেখার জন্য কিংবা ফ্যাশনের অনুষঙ্গ হিসেবে। কিন্তু প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তন সেই চেনা ঘড়িকে রূপান্তর করেছে এক মিনি-মেডিক্যাল ল্যাবে, যা এখন সার্বক্ষণিক জড়িয়ে থাকে আমাদের কবজিতে। বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে যখন হৃদরোগের (কারডিওভাসকুলার ডিজিজ) ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, তখন ‘স্মার্টওয়াচ’ বা পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি অনেকের জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘লাইফ সেভার’ বা জীবনরক্ষাকারী কবজ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।  

হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো ঘটনাগুলো সাধারণত হুট করে ঘটে না; শরীর আগে থেকেই কিছু মৃদু সংকেত দিতে শুরু করে, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে টের পাওয়া কঠিন। আধুনিক স্মার্টওয়াচগুলো মূলত এখানেই বিপ্লব ঘটিয়েছে।  

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট: হৃদরোগের নীরব মহামারি 

বাংলাদেশে হৃদরোগের ঝুঁকি এখন আর কেবল বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; স্থূলতা, মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং কায়িক শ্রমের অভাবে তরুণ প্রজন্মও এর শিকার হচ্ছে। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জিনগত কারণেই হৃদরোগের ঝুঁকি পশ্চিমা বিশ্বের চেয়ে বেশি। 

বাংলাদেশে ১৮ বছরের বেশি বয়সী প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ হাইপারটেনশনে ভুগছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ মানুষ হৃদরোগজনিত অসুস্থতায় মৃত্যুবরণ করেছেন, যার ৫২ শতাংশের জন্য দায়ী উচ্চ রক্তচাপ।  

এই বাস্তবতায় দেশের শহুরে কর্মজীবী এবং সচেতন নাগরিকদের মধ্যে স্মার্টওয়াচের ব্যবহার কেবল ফ্যাশন নয়, একটি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা হয়ে উঠছে। 

জনপ্রিয়

বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্মার্টওয়াচ যখন লাইফ সেভার

হৃদরোগের ঝুঁকি ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি

প্রকাশের সময় : ০৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

এক দশক আগেও ঘড়ি পরা হতো কেবল সময় দেখার জন্য কিংবা ফ্যাশনের অনুষঙ্গ হিসেবে। কিন্তু প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তন সেই চেনা ঘড়িকে রূপান্তর করেছে এক মিনি-মেডিক্যাল ল্যাবে, যা এখন সার্বক্ষণিক জড়িয়ে থাকে আমাদের কবজিতে। বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে যখন হৃদরোগের (কারডিওভাসকুলার ডিজিজ) ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, তখন ‘স্মার্টওয়াচ’ বা পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি অনেকের জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘লাইফ সেভার’ বা জীবনরক্ষাকারী কবজ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।  

হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো ঘটনাগুলো সাধারণত হুট করে ঘটে না; শরীর আগে থেকেই কিছু মৃদু সংকেত দিতে শুরু করে, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে টের পাওয়া কঠিন। আধুনিক স্মার্টওয়াচগুলো মূলত এখানেই বিপ্লব ঘটিয়েছে।  

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট: হৃদরোগের নীরব মহামারি 

বাংলাদেশে হৃদরোগের ঝুঁকি এখন আর কেবল বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; স্থূলতা, মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং কায়িক শ্রমের অভাবে তরুণ প্রজন্মও এর শিকার হচ্ছে। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের জিনগত কারণেই হৃদরোগের ঝুঁকি পশ্চিমা বিশ্বের চেয়ে বেশি। 

বাংলাদেশে ১৮ বছরের বেশি বয়সী প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ হাইপারটেনশনে ভুগছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ মানুষ হৃদরোগজনিত অসুস্থতায় মৃত্যুবরণ করেছেন, যার ৫২ শতাংশের জন্য দায়ী উচ্চ রক্তচাপ।  

এই বাস্তবতায় দেশের শহুরে কর্মজীবী এবং সচেতন নাগরিকদের মধ্যে স্মার্টওয়াচের ব্যবহার কেবল ফ্যাশন নয়, একটি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা হয়ে উঠছে।