ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি ও শোকের আবহ দেখে প্রকাশ্যেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ধারণা ছিল ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করে, তবে জানাজায় বিপুল মানুষের কান্না দেখে তিনি রীতিমতো অবাক হয়েছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য ও দাবি
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে এক বিতর্কিত দাবি করে বসেন। তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক শক্তি দিয়ে চাইলে জানাজায় উপস্থিত সবাইকে তিনি এক নিমেষে নির্মূল করতে পারতেন। তবে চরম উসকানিমূলক এই কথার পর তিনি নিজেই যোগ করেন যে, তেমনটি করলে আলোচনার জন্য আর কোনো পক্ষই অবশিষ্ট থাকত না।
পারস্পরিক আলোচনা সাময়িক স্থগিত
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ওয়াশিংটন ও তেহরান পারস্পরিক আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
-
হামলা না করার চুক্তি: খামেনির জানাজা এবং এর আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষই একে অপরের ওপর কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালাবে না বলে সম্মত হয়েছে।
তেহরানে লাখো মানুষের ঢল ও প্রতিশোধের ডাক
গত শনিবার রাজধানী তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় লাখ লাখ মানুষের ঢল নামে। শোকাতুর পরিবেশের মধ্যেই সেখানে সমবেত জনতা তীব্র যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা শোকাহত সাধারণ মানুষ খামেনির এই বিদায়কে ব্যক্তিগত এবং জাতীয় বড় ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সাথে তাঁর মৃত্যুর পেছনে দায়ী পক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ইরানিরা।

অনলাইন ডেস্ক 















