, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কক্সবাজারে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও কাটেনি দুর্ভোগ: প্রাণহানি ৩২, আড়াই লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি নিজেকে জাহির করতে গিয়ে অন্যের সমালোচনা: আমাদের শিক্ষা কী? বন্যা পরিস্থিতি: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিলসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ দফা বিশেষ নির্দেশনা চকরিয়ায় রথযাত্রা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা: শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর আয়োজন নিশ্চিতে পুলিশের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস পর্যটকদের জন্য সৌদি আরবের বড় সুখবর: চালু হলো নতুন ‘প্যাকেজ ভিসা’ মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে: চকরিয়ায় ভয়াবহ বন্যা, হাজারো পরিবার পানিবন্দি মানিকগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ করে তালা কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ, যানজটে ভোগান্তি ইআরএল-এর তেল শোধন সক্ষমতা বাড়াতে ১০০ কোটি ডলারের ‘কঠিন’ ঋণ নিচ্ছে সরকার স্থানীয়রা বঞ্চিত! মাতারবাড়ি বন্দর সড়কে বহিরাগতদের চাকরির অভিযোগে ক্ষোভ, এনআইডি তদন্তের দাবি
চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় ভ্যান চুরির অভিযোগে যুবককে হত্যা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আসাননগর গ্রামে ভ্যান চুরির অভিযোগে দুদু (২২) নামের এক যুবককে সিনেমা স্টাইলে তুলে নিয়ে নৃশংস নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের সময় তার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। রোববার (১৭ মে) দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাউসপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুদু আসাননগর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক। তার এক সন্তানের বয়স মাত্র চার মাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাউসপুর গ্রামের হাফিজুরের ছেলে অন্তুরের একটি ভ্যান গত শুক্রবার (১৫ মে) রাতে চুরি হয়। এ ঘটনায় দুদুকে সন্দেহ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, রোববার সকালে খবির, সুমন, আশিক, বায়োজিদ, রফিক ও শাকিলসহ কয়েকজন দুদুর বাড়িতে গিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে তারা দুদুর মাকে হুমকি দিয়ে বলে, “দুদুকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই হত্যা করা হবে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রোববার দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে সংঘবদ্ধভাবে দুদুকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার নাকে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তাকে আলমডাঙ্গার হাউসপুর এলাকার একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যুর পর অভিযুক্তরা দ্রুত কৌশলে মরদেহ ক্লিনিক থেকে সরিয়ে হাউসপুর বটতলা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল এ ঘটনাকে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত বর্বরতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাণী ইসরাইল বলেন, “আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যে কোনো অপরাধের বিচার আইনের মাধ্যমেই হবে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।” তিনি আরও জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।
জনপ্রিয়

বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় ভ্যান চুরির অভিযোগে যুবককে হত্যা

প্রকাশের সময় : ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার আসাননগর গ্রামে ভ্যান চুরির অভিযোগে দুদু (২২) নামের এক যুবককে সিনেমা স্টাইলে তুলে নিয়ে নৃশংস নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের সময় তার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। রোববার (১৭ মে) দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাউসপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুদু আসাননগর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক। তার এক সন্তানের বয়স মাত্র চার মাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাউসপুর গ্রামের হাফিজুরের ছেলে অন্তুরের একটি ভ্যান গত শুক্রবার (১৫ মে) রাতে চুরি হয়। এ ঘটনায় দুদুকে সন্দেহ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, রোববার সকালে খবির, সুমন, আশিক, বায়োজিদ, রফিক ও শাকিলসহ কয়েকজন দুদুর বাড়িতে গিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে তারা দুদুর মাকে হুমকি দিয়ে বলে, “দুদুকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই হত্যা করা হবে।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রোববার দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে সংঘবদ্ধভাবে দুদুকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার নাকে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তাকে আলমডাঙ্গার হাউসপুর এলাকার একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যুর পর অভিযুক্তরা দ্রুত কৌশলে মরদেহ ক্লিনিক থেকে সরিয়ে হাউসপুর বটতলা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল এ ঘটনাকে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত বর্বরতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাণী ইসরাইল বলেন, “আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যে কোনো অপরাধের বিচার আইনের মাধ্যমেই হবে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।” তিনি আরও জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।