, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কক্সবাজারে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও কাটেনি দুর্ভোগ: প্রাণহানি ৩২, আড়াই লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দি নিজেকে জাহির করতে গিয়ে অন্যের সমালোচনা: আমাদের শিক্ষা কী? বন্যা পরিস্থিতি: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিলসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ দফা বিশেষ নির্দেশনা চকরিয়ায় রথযাত্রা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা: শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর আয়োজন নিশ্চিতে পুলিশের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস পর্যটকদের জন্য সৌদি আরবের বড় সুখবর: চালু হলো নতুন ‘প্যাকেজ ভিসা’ মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে: চকরিয়ায় ভয়াবহ বন্যা, হাজারো পরিবার পানিবন্দি মানিকগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ করে তালা কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ, যানজটে ভোগান্তি ইআরএল-এর তেল শোধন সক্ষমতা বাড়াতে ১০০ কোটি ডলারের ‘কঠিন’ ঋণ নিচ্ছে সরকার স্থানীয়রা বঞ্চিত! মাতারবাড়ি বন্দর সড়কে বহিরাগতদের চাকরির অভিযোগে ক্ষোভ, এনআইডি তদন্তের দাবি
কক্সবাজার

চকরিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: নিয়মিত মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩, তৎপরতা জোরদার

কক্সবাজারের চকরিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলার এক আসামি এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিসহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে পুলিশের এই ধারাবাহিক তৎপরতা চালানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— কুতুবদিয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ মিজানুর রহমান (পিতা: নুরুল আবছার), উত্তর হারবাং এলাকার বাসিন্দা আয়াত হাসান (পিতা: ওসমান গণি) এবং রোসাইঙ্গাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম (৩২) (পিতা: নাছির উদ্দিন)।

চকরিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গত ২৪ ঘণ্টায় থানার অপারেশন অফিসারের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নিয়মিত মামলার ওই আসামি ও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চকরিয়া থানার আওতাধীন এলাকায় সক্রিয় বিভিন্ন অপরাধচক্র, মাদক কারবারি, ডাকাত দলের সদস্য, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামি, মৎস্য ঘের ও ঘোনা দখলকারী এবং ভবঘুরে ও ভাসমান বখাটেদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় ডাকাতি ও অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বিশেষ করে রাতভর টহল, সন্দেহভাজনদের নজরদারি এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

অভিযানের বিষয়ে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ডাকাতি প্রতিরোধ এবং মাদক নির্মূলে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কক্সবাজার

চকরিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: নিয়মিত মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩, তৎপরতা জোরদার

প্রকাশের সময় : ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলার এক আসামি এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিসহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে পুলিশের এই ধারাবাহিক তৎপরতা চালানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— কুতুবদিয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ মিজানুর রহমান (পিতা: নুরুল আবছার), উত্তর হারবাং এলাকার বাসিন্দা আয়াত হাসান (পিতা: ওসমান গণি) এবং রোসাইঙ্গাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম (৩২) (পিতা: নাছির উদ্দিন)।

চকরিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গত ২৪ ঘণ্টায় থানার অপারেশন অফিসারের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নিয়মিত মামলার ওই আসামি ও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, চকরিয়া থানার আওতাধীন এলাকায় সক্রিয় বিভিন্ন অপরাধচক্র, মাদক কারবারি, ডাকাত দলের সদস্য, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামি, মৎস্য ঘের ও ঘোনা দখলকারী এবং ভবঘুরে ও ভাসমান বখাটেদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় ডাকাতি ও অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বিশেষ করে রাতভর টহল, সন্দেহভাজনদের নজরদারি এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।

অভিযানের বিষয়ে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ডাকাতি প্রতিরোধ এবং মাদক নির্মূলে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।