কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘুনিয়া এলাকায় অবাধে চলছে পাহাড় নিধনের ঘটনা। দিনের পর দিন পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ও ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করার মতো মারাত্মক অপরাধ চললেও বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে গভীর প্রশ্ন উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
হুমকিতে জীববৈচিত্র্য ও বন্য হাতির আবাসস্থল
স্থানীয়দের দাবি, দক্ষিণ ঘুনিয়া এলাকা সংলগ্ন বনাঞ্চল ও পাহাড়ি পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে আসছে।
-
পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি: একটি প্রভাবশালী চক্র ক্ষমতার দাপটে প্রকাশ্যে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছে।
-
পাহাড় ধসের ঝুঁকি: নির্বিচারে এই পাহাড় কাটার ফলে পাহাড় ধস ও মারাত্মক ভূমিক্ষয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
-
সংঘাতের আশঙ্কা: বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হওয়ায় লোকালয়ে হাতি আসার আশঙ্কা বাড়ছে। উল্লেখ্য, এই অঞ্চলে অতীতেও বন্য হাতির বিচরণ ও মানব-হাতি সংঘাতের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে।
বনবিভাগের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ
যেখানে পাহাড় কাটা অত্যন্ত দৃশ্যমান এবং প্রকাশ্যে ড্রেজার বা শ্রমিক দিয়ে মাটি সাবাড় করা হচ্ছে, সেখানে বনবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নীরবতা বা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।
সচেতন মহলের দাবি: > স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহল অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে পাহাড় নিধনের সাথে জড়িত প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফাঁসিয়াখালীর বনাঞ্চল রক্ষায় কঠোর নজরদারির জোর দাবি জানানো হয়েছে

চকরিয়া প্রতিনিধি 





















