আগামী ১৪ ও ১৫ জুন কক্সবাজার, চকরিয়া ও পেকুয়া সফরে আসছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সম্ভাব্য এই সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী একাধিক মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন এবং বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন।
প্রেস সচিব সাফওয়ানুল করিমের দেওয়া সম্ভাব্য সফরসূচি অনুযায়ী দুই দিনের এই সফরের প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে।
১৪ জুনের সম্ভাব্য সফরসূচি ও কর্মসূচি
-
সাফারী পার্ক পরিদর্শন: ১৪ জুন সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজারা সাফারী পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং পার্কের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।
-
শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত: সাফারী পার্কের কর্মসূচি শেষে তিনি পেকুয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন এবং সেখানে জুলাই আন্দোলনের বীর শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত করবেন।
-
পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর: এরপর পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বহুল প্রতীক্ষিত পৌর উন্নয়ন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী।
-
মধ্যাহ্নভোজ: সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পেকুয়ার ‘সাঈদ ম্যানশনে’ অবস্থান করে মধ্যাহ্নভোজ গ্রহণ করবেন।
-
মাতামুহুরী উপজেলার ফলক উন্মোচন: পেকুয়ার কর্মসূচি শেষে তিনি চকরিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন এবং সেখানে প্রস্তাবিত ‘মাতামুহুরী উপজেলা’র ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করবেন। এর মাধ্যমে এলাকার প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
-
চকরিয়ায় বিশাল জনসভা: বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। এই জনসভা থেকে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং স্থানীয় বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।
জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন এবং সেখানে রাত্রীযাপন করবেন।
১৫ জুনের কর্মসূচি
সফরের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ১৫ জুন সকালে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে সুধীজনদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। এরপর তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।
নিরাপত্তা ও ব্যাপক প্রস্তুতি
প্রধানমন্ত্রীর এই মেগা সফরকে ঘিরে কক্সবাজার, চকরিয়া ও পেকুয়াজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। বিশেষ করে চকরিয়ার জনসভা এবং পেকুয়ার উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কক্সবাজার প্রতিনিধি 





















