, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: আগে জানত না বাংলাদেশ, তথ্য চেয়ে সৌদিকে চিঠি মুসলিমবিরোধী স্লোগানের দায়ে স্পেনকে শাস্তি দিল ফিফা, ১৫% আসন ফাঁকা ও জরিমানা চাঁদা না পেয়ে ২০২০ সালে ফারুক আজমের প্রজেক্ট ডাকাতি ও জবরদখল: মূলহোতা আহসান উল্লাহ বাচ্চু, ক্ষতিপূরণ দাবি ফারুক আজমের মহেশখালীতে ‘আন্তর্জাতিক নির্মল বায়ু দিবস’ উপলক্ষ্যে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ২৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ঢাকায় বিলাসী জীবন কাটাচ্ছেন সেই চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চু! সরকারের ‘উদ্যোক্তা হবো’ স্লোগানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি! ধলঘাটা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তরুণের ট্রেড লাইসেন্স আটকা নেওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশে এডিবির নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং ব্রাজিল দল থেকে নেইমারের অবসর, অবসান এক যুগের ‘মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না’ : পরীমণি কেমিক্যাল শ্যাম্পুতে ক্লান্তি? ঘরেই তৈরি করুন জবা ফুলের ভেষজ শ্যাম্পু
কক্সবাজার

মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ২৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ঢাকায় বিলাসী জীবন কাটাচ্ছেন সেই চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চু!

চাঁদা না পেয়ে ২০২০ সালে তরুণ ব্যবসায়ীর প্রজেক্ট ডাকাতি ও জবরদখল: মূলহোতা আহসান উল্লাহ বাচ্চু

কক্সবাজারের মহেশখালীর ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চুর বিরুদ্ধে মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ২৩ কোটি টাকা দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি মামলার প্রধান অভিযুক্ত এই ব্যক্তি সরকারি অর্থ ফেরত না দিয়ে বর্তমানে পরিবার নিয়ে ঢাকায় বিলাসী জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্নীতির পাশাপাশি নিজ এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে তিনি ‘বাচ্চু বাহিনী’ নামের একটি দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসী গ্রুপ পরিচালনা করে আসছেন। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিই তার মূল পেশা এবং রাজনীতিকে তিনি কেবল সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করছেন। এলাকার কোনো ব্যবসায়ী ভালো অবস্থানে গেলে তার ওপর নেমে আসে চাঁদার দাবি ও নানা হয়রানি।

এরই একটি বড় উদাহরণ পাওয়া যায় ২০১৭ সালে। স্থানীয় তরুণ ব্যবসায়ী মো. ফারুক আজম নিজের অর্থ ব্যয় করে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে প্লাবিত এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘব করেছিলেন। এতে খুশি হয়ে স্থানীয় জমির মালিকরা তাকে ন্যায্য খাজনা পরিশোধ সাপেক্ষে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মাদরাসা ঘোনা (প্রকাশ ফাটা ঘোনা) এলাকায় চিংড়ি চাষের অনুমতি দেন। কিন্তু ওই তরুণ ব্যবসায়ীর কাছেও চাঁদা দাবি করেন আহসান উল্লাহ বাচ্চু। চাঁদা না পেয়ে ২০২০ সালে তার লালিত সন্ত্রাসী ও ডাকাতদের দিয়ে মো. ফারুক আজমের প্রজেক্টটি জবরদখল ও ডাকাতি করে সম্পূর্ণ সিজন লুট করে নেওয়া হয়। এতে ওই তরুণ ব্যবসায়ীর প্রায় দেড় কোটি টাকার ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়, যার কোনো সুরাহা আজও হয়নি।

স্থানীয়রা বলছেন, এটিই ইউপি চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চুর আসল চরিত্র। সরকারের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎকারী ও সন্ত্রাসবাদের গডফাদার এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: আগে জানত না বাংলাদেশ, তথ্য চেয়ে সৌদিকে চিঠি

কক্সবাজার

মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ২৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ঢাকায় বিলাসী জীবন কাটাচ্ছেন সেই চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চু!

প্রকাশের সময় : ০৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের মহেশখালীর ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চুর বিরুদ্ধে মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ২৩ কোটি টাকা দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি মামলার প্রধান অভিযুক্ত এই ব্যক্তি সরকারি অর্থ ফেরত না দিয়ে বর্তমানে পরিবার নিয়ে ঢাকায় বিলাসী জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্নীতির পাশাপাশি নিজ এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে তিনি ‘বাচ্চু বাহিনী’ নামের একটি দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসী গ্রুপ পরিচালনা করে আসছেন। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিই তার মূল পেশা এবং রাজনীতিকে তিনি কেবল সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করছেন। এলাকার কোনো ব্যবসায়ী ভালো অবস্থানে গেলে তার ওপর নেমে আসে চাঁদার দাবি ও নানা হয়রানি।

এরই একটি বড় উদাহরণ পাওয়া যায় ২০১৭ সালে। স্থানীয় তরুণ ব্যবসায়ী মো. ফারুক আজম নিজের অর্থ ব্যয় করে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে প্লাবিত এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘব করেছিলেন। এতে খুশি হয়ে স্থানীয় জমির মালিকরা তাকে ন্যায্য খাজনা পরিশোধ সাপেক্ষে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মাদরাসা ঘোনা (প্রকাশ ফাটা ঘোনা) এলাকায় চিংড়ি চাষের অনুমতি দেন। কিন্তু ওই তরুণ ব্যবসায়ীর কাছেও চাঁদা দাবি করেন আহসান উল্লাহ বাচ্চু। চাঁদা না পেয়ে ২০২০ সালে তার লালিত সন্ত্রাসী ও ডাকাতদের দিয়ে মো. ফারুক আজমের প্রজেক্টটি জবরদখল ও ডাকাতি করে সম্পূর্ণ সিজন লুট করে নেওয়া হয়। এতে ওই তরুণ ব্যবসায়ীর প্রায় দেড় কোটি টাকার ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়, যার কোনো সুরাহা আজও হয়নি।

স্থানীয়রা বলছেন, এটিই ইউপি চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চুর আসল চরিত্র। সরকারের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎকারী ও সন্ত্রাসবাদের গডফাদার এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।